Welcome! For visit my site...

Showing posts with label কম্পিউটার টিপস্. Show all posts

কম্পিউটার ফরমেট না করে ভাইরাস দূর করার উপায়!

আশা করি সবাই ভাল আছেন। কম্পিউটার ব্যবহার কারীর মধ্যে আমরা অনেকেই জানি ওইন্ডোজ সেটাপ দিলে শুধু সিস্টেম ড্রাইভ অর্থাৎ যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা আছে সেটি ফরম্যাট হয়। অন্য ড্রাইভগুলো অপরিবর্তিত থাকে। ফলে সিস্টেম ড্রাইভে যদি ভাইরাস থাকে, তা ডিলিট হয়ে যায়, কিন্তু অন্য ড্রাইভের ভাইরাস গুলো আগের মতই পিসিতে সংসার বেঁধে বসে থাকে।
তার উপর এসব ভাইরাস যদি হয় এতই মারাত্বক যে, তার জন্য এন্টিভাইরাসই ইন্সটল করা যায় না, তাহলে পিসির এসব ভাইরাস পিসিতেই থাকবে।
তাহলে কি পিসি ফরম্যাট করা (কম্পিউটারের সব ডাটা জলাঞ্জলি দেয়া) ছাড়া কোনো উপায় নেই?অবশ্যই আছে। সাধারনত যে সকল ভাইরাস আপনার পিসিতে এন্টিভাইরাস ইন্সটল করতে দেয় না, তারা আপনার পিসিতে সক্রিয় আছে বলেই তারা আপনাকে এন্টিভাইরাস ইন্সটল করা থেকে বিরত রাখতে পারে। সুতরাং, এমন কিছু করতে হবে যেনো, ভাইরাসগুলো সক্রিয় না থাকে।
পিসিতে ভাইরাস তখনই সক্রিয় হয়,যখন আপনি আপনার পিসির ড্রাইভগুলো ওপেন করেন। ধরুন, আপনার পিসিতে সিস্টেম ড্রাইভ ছাড়া অন্য ড্রাইভে ভাইরাস আছে। এখন আপনি যদি ওইন্ডোজ সেটাপ দিয়ে আবার আপনার ড্রাইভগুলো ওপেন করেন, তাহলে ভাইরাসগুলো আবার সক্রিয় হবে।এখন যা করতে হবে……
১) প্রথমেই আপনি windows সেটাপ দিন।
২) এখুনি মাদারবোর্ডের সিডির সফটওয়্যারগুলো (সাউন্ড,ল্যান,চিপসেট,ভিডিও) ইন্সটল করবেন না।
৩) ওইন্ডোজ সেটাপের পরে প্রথম যখন কম্পিউটারটি অন করবেন তখন “MY computer” এ বা এর কোনো ড্রাইভেও যাবেন না। এর ফলে আপনার পিসির ভাইরাসগুলো সক্রিয় হবে না।
৪)এখন এন্টিভাইরাসের সিডি অথবা পেনড্রাইব থেকে এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারটি ইন্সটল করুন। পেনড্রাইভ কম্পিউটারে প্রবেশ করানোর সময় shift প্রেস করে রাখুন যেনো তা নিজ থেকেই ওপেন না হয়।
৫) এখন “MY computer” থেকে প্রত্যেকটি ড্রাইব থেকে স্ক্যান করলেই ভাইরাস গুলো মুক্ত হয়ে যাবে। তবে সতর্ক থাকতে হবে যে স্ক্যান করার আগে যেন কোন ড্রাইব ওপেন না হয়। এতে অন্যড্রাইভের ভাইরাসগুলো সক্রিয় হয়ে যেতে পারে।

কম্পিউটারে শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই!


আক্রান্ত পেনড্রাইভ থেকে বাঁচতে

১. RUN এ যান।
২. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
৩. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন। এবার কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।

আক্রান্ত কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করতে
১. কী বোর্ডের CTRL+SHIFT+ESC চাপুন।
২. PROCESS ট্যাবে যান।
৩. এখানে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
৪. End Process এ ক্লিক করুন।
৫. এবার আপনার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে যান।
৬. সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ করুন।
৭. wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE দিন।
৮. যেই ফাইলগুলো ডিলিট হচ্ছে না ওইগুলো স্কিপ করে দিন।
৯. এখন RUN এ যান।
১০. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
১১. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন।

ব্যাস, আপনার কম্পিউটাটি এখন শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত।


কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা চোখ ভালো রাখবেন যেভাবে।





কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলা ভালো উপায়। এতে করে চোখে আদ্রতার পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে এবং শুষ্কতা সৃষ্টি হয় না। অথচ কম্পিউটার স্ক্রিনের কারণে আমরা চোখের পলক কম ফেলি, এমনটি চোখের জন্য ক্ষতিকর।

যথাযথ আলোর পরিবেশে কম্পিউটারে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। দিনেরবেলায় কম্পিউটার ব্যবহারের সময় মনিটরের উল্টোদিকে মনিটরে আলো প্রতিফলিত হয় এমন দরজা জানালা বা লাইট বন্ধ রাখুন। কম্পিউটারটি এমন স্থানে ব্যবহার করুন যেখান থেকে মনিটরে আলোর প্রতিফলন না ঘটে। আবার পুরোপুরি অন্ধকার ঘরেও কম্পিউটার চালাবেন না।

কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সব সময় পর্দার সঙ্গে আই-লেভেল উচ্চতার সামঞ্জস্যতা রাখতে হবে। বিষয়টি চোখের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

কম্পিউটারের উজ্জ্বলতা সহনীয় মাত্রায় রেখে কাজ করা উচিত। উজ্জ্বলতা বেশি হলে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে এবং অস্বস্তিকর অনুভূত হয়।

চোখে শিথিল এবং আরামদায়ক অনুভূতির ক্ষেত্রে সেরা রং বিবেচনা করা হয় সবুজ রংকে। কাজের ফাঁকে জানালা দিয়ে বাইরের প্রাকৃতিক পরিবেশের দিকে তাকাতে পারেন।

কম্পিউটার স্ক্রিনে পড়া বা লেখার জন্য ছোট ফন্ট ব্যবহার করবেন না। চোখের জন্য আরামদায়ক ফন্ট নির্বাচন করুন। কারণ ছোট ছোট লেখা চোখের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে।

দুই হাতের তালু একটি অপরটির সঙ্গে ঘর্ষণ করে গরম করে তুলুন। তারপর আপনার হাতের তালু চোখের ওপর রাখুন কমপক্ষে ১ মিনিট। এটি ক্লান্ত চোখে আরামের আবেশ আনতে সহায়তা করবে।

কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘক্ষণ ধরে কাজ করার সময় চোখ সুরক্ষার খুব উপযোগী একটি উপায় হচ্ছে, ২০-২০-২০। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর ওপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য। চোখের বিশ্রামের জন্য ২০-২০-২০ নিয়মটি মেনে চললে চোখে যথেষ্ট আদ্রতা থাকে এবং চোখের ওপর চাপ কমে।

মনিটর নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। মনিটরে জমা ধুলাবালি দৃষ্টিশক্তিকে ব্যাহত করে। ফলে মনিটরের অক্ষরগুলো পড়তে সমস্যা হয় এবং চোখের ওপর চাপ পড়ে। তাই কম্পিউটারে ধুলা-ময়লা কিংবা আঙ্গুলের ছাপ পড়তে দেবেন না।






Use Picture Password for Windows 8


How to use picture password in “Windows -8”:

Select or Chick “Control Panel”
Choose users
Choose your account
Click the \”create Picture password\” button
Enter your existing positive identification
Select an image for the image positive identification
Click use this image
Choose three points on the image
Click those three points once more
Click ok
Shut instrument panel

>> Open computer settings, and do step two or three below for what Windows eight you have got.
>> In Windows eight or Windows RT, click/tap on Users within the left pane, click/tap on produce an image word within the right pane, and attend step four below.
>> In Windows eight.1 or Windows RT eight.1, click/tap on Accounts on the left aspect.
>> Click/tap on Sign-in choices on the left aspect, click/tap on Add beneath image word on the correct, and attend step four below.
>> sort in your user account’s word, and press Enter or click/tap on OK.
>> Click/tap on opt for an image. >>Navigate to and choose the folder that contains the image that you just need to use, choose the image by clicking/tapping thereon, then click/tap on the Open button at rock bottom right corner.

Top right of your PC monitor and the mouse, you will see very shortly after the fall of many of these options in the Settings. Now your job is to click on the settings. Click here to open the window to see her very shortly have written Change PC Settings. Click here Swoop. Users then click on the left side, click Change picture password.

Windows 8
Click here cables your Windows password. Give your Windows password. Choose picture to the left of the view that there is an option to Oita. Then there are options in the File View and select by clicking on the picture of your choice.
Now, click on the Use this picture as the image given below.

Windows 8 01
He would like to see the left side of the 1 2 3. Now you can click your mouse anywhere on the photo three. Once again the same place when you are finished, click with the mouse to confirm.

Windows 8 02
Come out now by clicking on Finish. Word was passed picture. Your selected image will now appear on the PC. Word was passed by the place that you click on the place must be open on your PC.


কম্পিউটার এর র‍্যাম মেমোরি এর গতি বাড়িয়ে নিন।


বন্ধুরা কেমন আছেন। আসাকরি ভালোই আছেন। আমি এখন আপনাদেরকে দেখাব কিভাবে আপনার কম্পিউটারের ব্যাম মেমোরীর গতি বাড়াতে পারেন। আমরা অনেক সময় ধরে কম্পিউটার ব্যবহার করলে র‍্যামের গতি কমে যায়। আর র‍্যাম এর গতি কমে যাওয়ার ফলে আপনার কম্পিউটার স্লো হয়ে যায় এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে। আপনি র‍্যামের গতি বাড়ানোর জন্য হয়তো বা অনেক ধরনের পন্ধা অবলম্বন করেছেন ক্নিন্তু কোন ভালো ফলাফন পাননি। আমি এখন আপনাদের ছোট্ট একটি সফওয়্যার উপহার দেব যেটি দিয়ে আপনি আপনার আপনার কম্পিউটার এর র‍্যাম মেমোরি এর গতি বাড়িয়ে নিতে পারবেন। যাইহোক আর বেশি কথা না বাড়িয়ে এখনই নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করুন সফটওয়্যরটি মাত্র ৪.৫১ মেগাবাইট ।— ধন্যবাদ

কিভাবে হার্ডডিস্ক এর যত্ন নিবেন ?

<<< কিভাবে হার্ডডিস্ক এর যত্ন নিবেন>>>

হার্ডডিস্কের আয়ু বাড়ানোর জন্য নিম্মরুপে যত্ন নিতে ভালঃ
> হার্ডডিস্কে যেন কোন আঘাত না লাগে।
> বিশেষ প্রয়োজন না হলে হার্ডডিস্ক ফরম্যাট করবেন না।
> হার্ডডিস্ক সর্বদা ২০০ থেকে ৩০০ মেগাবাইট স্পেস ফাকা রাখতে হবে।
> মাঝে মাঝে স্ক্যান ডিস্ক কমান্ড ব্যবহার করতে হবে।
> মাঝে মাঝে ডিফ্রাগমেন্ট কমান্ড ব্যবহার করে ডিফ্রাগমেনসন করতে হবে।
> হার্ডডিস্কের সাইজ ভেদে একাদিক পার্টিশন করা উত্তম।
> ব্যাকআপ ফাইল আন্য পার্টিশনে রাখা উত্তম।
> Root ড্রাইভ C: তে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ফোল্ডার না রাখাটাই ভালো।
> মাঝে মাঝে অ্যান্টিভাইরাস রান করাতে হবে ভাইরাস মুক্তর জন্য ।

পার্সওয়ার্ড না জেনেও প্রবেশ করুন যে কোন পিসিতে।


অনেকে মনে করবেন এটি কেমনে সম্ভব বা মনে করবেন কোন হ্যাকিং টুল দিয়ে তা করতে হবে। কিন্তু সেগুলো কোনটাই না। এটি একরকম পদ্ধতি যার মাধ্যমে পাসওয়ার্ড না জেনে এক্সপিতে লগইন করা যায়। এর জন্য প্রথমে পাসওয়ার্ড আছে এমন কম্পিউটার চালু করতে হবে। লগইন উইন্ডো আসলে Alt + Ctrl + Delete একত্রে দুইবার চাপতে হবে। এতে উইন্ডোজ ২০০০ এর মত লগইন উইন্ডো আসবে। এতে User name বক্সে লিখুন Administrator এবং এন্টার চাপুন। তাহলে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হয়ে উইন্ডোজ লগইন হবে। এভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়া লগইন করা যায়। এছাড়া কম্পিউটারকে সেফ মোডে চালু করলেও এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইউজারটি দেখতে পাবেন এবং তাতে ক্লিক করেও লগইন করতে পারেন। ভাবছেন তাহলে পাসওয়ার্ড দিয়ে লাভ কি? আসলে অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইনস্টল করলে Administrator এবং এন্টার চাপুন। তাহলে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হয়ে উইন্ডোজ লগইন হবে। এভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়া লগইন করা যায়। এছাড়া কম্পিউটারকে সেফ মোডে চালু করলেও এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইউজারটি দেখতে পাবেন এবং তাতে ক্লিক করেও লগইন করতে পারেন। ভাবছেন তাহলে পাসওয়ার্ড দিয়ে লাভ কি? আসলে অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইনস্টল করলে Administrator নামে একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট সয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় এবং তা লুকনো অবস্থায় থাকে। এ অ্যাকাউন্টে কোন পাসওয়ার্ড দেয়া থাকে না। ফলে উপরের পদ্ধতিতে এ অ্যাকাউন্টে লগইন করা যায়। আপনি এ অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে পারেন। এর জন্য প্রথমে সেইফ মোডে কম্পিউটার চালু করুন এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নামের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন। এবার Start => Settings => Control Panel এ ক্লিক করুন এবং User Accounts এ ক্লিক করুন। এবার Administrator অ্যাকাউন্টে ক্লিক করে Create a password এ ক্লিক করুন এবং নতুন একটি পাসওয়ার্ড লিখে Create password বাটনটি ক্লিক করুন। তাহলে কেউ উপরের নিয়মে আর পাসওয়ার্ড ছাড়া লগইন করতে পারবে না।

কিবোর্ড মাউসের কাজ করবে।


কম্পিউটার ব্যবহার করেন তাদের জন্য আজ এমন একটি বিষয় নিয়ে হাজির হলাম যা অতি জরুরী। কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তাদের কম্পিউটারে নিশ্চয়ই কিবোর্ড ও মাউস থাকে। কিন্তু কাজ করতে করতে দেখা গেল মাউসে কাজ করছে না। তাহলে এমন সমস্যায় অনেকেই পড়েছেন। কিন্তু আর এমন সমস্যায় পড়তে হবে। এবার জানাবো মাউস ছাড়া কিবোর্ড কিভাবে মাউসের কাজ করে। কাজ করার সময় যদি মাউস নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কিবোর্ডের কয়েকটি বোতাম দিয়ে সহজেই মাউসের কাজ করতে
পারবেন।
কিবোর্ডের এই সুবিধা উপভোগ করতে হলে প্রথমে একটি সচল মাউস দিয়ে কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেলের সেটিং এর পরিবর্তন করতে হবে। মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোস এক্সপির জন্য- My Computer থেকে Control Panel এ গিয়ে উপরে ডানে View by থেকৈ Classic view নির্বাচন করে নিতে হবে। লিস্ট থেকে Accessibility Options এ ক্লিক করে পরের উইন্ডো থেকে মাউস ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এখানে Use mouse keys এ টিক চিহ্ন দিয়ে Apply এ ক্লিক করে OK করতে হবে।
উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ওপরে ডান পাশে View by থেকে Large Icon নির্বাচন করতে হবে। এখান থেকে Ease of Access Center এ ক্লিক করে Make the mouse easier to use ক্লিক করতে হবে। একটা নতুন উইন্ডো আসবে সেখানে Turn on Mouse Keys-এ টিক চিহ্ন দিতে হবে। Setup Mouse Keys-এ ক্লিক করে Pointer Speed এর Top Speed থেকে Low এবং High এর মাঝে ইচ্ছা মত কারসর নাড়ানোর সুবিধাজনক অবস্থা নির্বাচন করে দিন। এবার কাজ শেষ। Applyএ ক্লিক করে OK করে বের হতে হবে। এবার মাউসের কার্সর ইচ্ছামত সরাতে কম্পিউটারের কিবোর্ডের Num Lock চালু করে নিতে হবে।
কিবোর্ডের নিউমেরিক কি-এর ৪ চাপলে মাউস বামে সরতে থাকবে। ৬ চাপলে ডানে, ৮ চাপলে ডানে, ৮ চাপলে ওপরে এবং ২ চাপলে কার্সর নিচে যাবে। আর মাউসের বাম ক্লিকের জন্য ৫ এবং ডান ক্লিকের জন্য + কি চাপতে হবে।
ডেস্কটপ কম্পিউটারের কিবোর্ডেও এ কাজটি করা যাবে। অনেক ল্যাপটপে নামপ্যাড বা নিউমেরিক কি প্যাড থাকে না। তাই যে কম্পিউটারে নিউমেরিক কি প্যাড আছে সেটিতে এই কৌশল কাজে লাগবে। নতুন মাউস লাগানোর পর আগের নিয়মে পুনরায় Turn on Mouse Keys-এ টিক তুলে দিয়ে ওকে করলে কিবোর্ড আর মাউসের মত কাজ করবে না।

Youtube ও অন্যান্য Blocked site এ access করার কয়েকটি পদ্ধতি!

এখানে আমি  Youtube সহ অন্যান্য Blocked site access করার কয়েকটি পদ্ধতি দেখিয়েছি, আশা করছি এগুলো সহজেই আপনারা বুঝতে পারবেন
০১. AnonymoX
এটা শুধুমাত্র Firefox User-দের জন্য, এটা যদিও proxy ‍server use করে তবে Free.
AnonymoX is simply an add-on. Search Google for it. Available for Firefox, not sure about chrome.
License : Free + Premium
Speed : মোটামুটি (6.5/10)
Link : https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/anonymox/?src=search
Configuration :  Easy

০২.  Hotspot Shield
এটা একটি  VPN software সবাই জানেনএর free version মূলত add এর উপর চলে তবে Add-block plus, Firefox/Google Chrome- install করে নিলে এর বিরক্তিকর add গুলো উপেক্ষা করা যায়
Add-block plus is simply an add-on. Search Google for it. Available for both  Firefox and Google Chrome.
License : Free(with add) + Premium
Speed : মোটামুটি (7/10)
Configuration : Easy

০৩. proXPN
আর একটি  VPN software. এটাও free, তবে Registration করতে হয়Register free-তে করা যায়
License : Free (simple ‍limitations) + Premium
Speed : মোটামুটি (5/10)
Configuration : Complecated

০৪. Ultrasurf
Ultrasurf, a free proxy-based tool for internet privacy and security that allows you to bypass firewalls and protect your identity online. এটা portable software (no installation needed)
License : Free + Premium
Speed : কম/মোটামুটি (4/10)
Configuration : Easy
আপাতত এই,  এছাড়া free-তে আরও অনেক 3rd party apps আছে, তবে এগুলোর মত সহজ ভাল নয়
Windows 7, Windows Vista-তেও VPN Network Creat  করা যায় কোন Software  ছাড়াই, তবে বিষয়ে এখনো আমার শেখা বাকি শিখতে পারলে অবশ্যই শেয়ার করব

Hotspot Shield আর proXPN নিয়ে কিছু কথা
Hotspot Shield আর proXPN দুটোই VPN software. Hotspot Shield আমার দেখা Best Free VPN.
তবে যারা  Wireless/WiMAX Internet Connection (Banglalion,Qubee, etc...)  ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এদুটো  software
বেশ ঝামেলা করতে পারে
01. কারণ   দুটো  software mainly programed for Broadband Internet (my opinion), when its trying to creat Vitual network it Disconnects The Modem then re-connect for Wireless/WiMAX Internet Connection.
So In my experience, after install, every time when i run the program it disconnect my internet and then re-connect.
It so boring and rubbish. My Advice : Use them with care and caution.
02. Hotspot Shield update itself automatically. So sometimes during update it may crash.
I didn't find any way to stop it. So be carefull.
আমি বলব এভাবে Blocked site access করতে চাইলে AnonymoX/Hotspot Shield use করাটাই Better.Try them!
শেষ কথা : এখনকার বাংলাদেশ সরকারের কাণ্ডজ্ঞানের অভাবে আজকে এরকম একটি সমস্যার মুখোমুখি আমরা
আমার টিউনটিকে তাই অন্যভাবে নেওয়ার কিছু নেই
সবাই ভাল থাকবেন

Folder Highlight দিয়ে রাঙিয়ে দিন ফোল্ডার আইকন!


 


আসসালামু আলাইকুম /নমস্কার । সবাই কেমন আসেন আসা করি সবাই ভাল আছেন । 
আজকে আমি আপনাদের একটা মজার সফটওয়্যার কথা জানাব । যদিও অনেকে জানেন । যারা জানেন না তাদের জন্য আমার শেয়ার করা । আমাদের কম্পিউটারে যারা উইন্ডোজএক্স-পি, ভিস্তা বা ৭ ব্যবহার করি তার ফোল্ডার আইকন হলুদ রংয়ের থাকে। ফোল্ডার হাইলাইট (FolderHighlight) ব্যবহারকরে রং পরিবর্তন এবং টুল টিপ যুক্ত করতে পারি। 
ফোল্ডার হাইলাইট(FolderHighlight)এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো ফোল্ডারের রং পরিবর্তন করতে পারবেন । যদিও উইন্ডোজের মাধ্যমে ফোল্ডার আইকন পরিবর্তন করা যায় কিন্তু ফোল্ডার হাইলাইট (FolderHighlight) দিয়ে এক্সপ্লোরারের রাইট ক্লিক মেনুর মাধ্যমে রং পরিবর্তন করা যায়। 
কিভাবে ব্যবহার করবেন? 

 

ফোল্ডার হাইলাইট(FolderHighlight)ব্যবহার করা খুবই সহজ আপনি আপনারকম্পিউটার যতটুকুই জানুন না কেন।ফোল্ডারের রং পরিবর্তন করতে,মাউস দিয়ে যে ফোল্ডারের রংপরিবর্তন করবেন তাতে রাইট ক্লিক করুন। তারপর কনট্যাক্স মেনু থেকে ফোল্ডার হাইলাইট(FolderHighlight) সিলেক্ট করুন এবং উপযুক্ত রং নির্বাচন করুন। 
যেসকল অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্টকরে: 
উইন্ডোজ ২০০০,উইন্ডোজ ২০০৩,উইন্ডোজ এক্স-পি,উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ ৭ এর x86 (৩২ বিট) এবং x64(৬৪বিট) 

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন 
FolderHighlight.2.4.exe

►►ফেইসবুক নোটিফিকেশান দিয়ে কি জিমেইল ইনবক্স ভরে গেছে?◄◄


Facebook account নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর;কিন্তু fb notification দিয়ে gmail account ভর্তি দেখলে অনেক সময় মাথাটা ঘুরে যায়,তাই এই ছোট্ট প্রয়াস
  • প্রথমে আপনার gmail account log in করুন
    এবার নিচের stepগুলো অনুসরন করুন
    settings>levels>create a new level>এখানে facebook লিখে ওকে করুন
  • এবারেsettings>filters>create a new filter>এখন একটা বক্স আসবে,এখানে প্রথম ঘর From: facebook লিখে ,নিচে next step চাপুন
  • এবারে যে বক্স আসবে সেখানে skip the inbox সিলেক্ট করুন, apply the level সিলেক্ট করে সেখানে facebook নির্বাচন করুন
  • এবারে create filter সিলেক্ট করুন, দেখবেন facebook এর সব notification এক জায়গায় চলে এসেছে
এভাবে আপনি আপনার inbox clear রাখতে পারবেন,আবার আপনার gmail account দেখে আর মাথা গরম হবে না আশা করি
সবাই ভাল থাকুন.......................................

►► উইন্ডোজ মিসিং হয়ার প্রধান ৪ টি কারন◄◄



*    ``NTDLR`` ফাইল মিসিং হলে ১০০% অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে করতে হবে।
*    ``INDX`` ফাইল মিসিং হলে ১০০% অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে করতে হবে।
*    ``Alt+Ctrl+Del`` চাপতে হলে ১০০% অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে করতে হবে।
*    ``System 32`` ফাইল মিসিং হলে ১০০% অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে করতে হবে।

►► Recycle Bin এর নাম রিনেম করে Dustbin করুনতো দেখি !!!◄◄


হ্যা বন্ধুরা, যারা পারেন তারা তো জানেন ইআর যারা না জানেন তারা দেখুন, আর ২ মিনিটেই পরিবর্তন করে ফেলুন Recycle Bin এর নামকি অবাক লাগছে ? হ্যা এটা বলতে পারেন মিনি যাদুকাথা না বাড়িয়ে কাজে যাওয়া যাক
> প্রথমে Start মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন
> এর পর regedit লিখে ইন্টার চাপুন
> তারপর HKEY_CURRENT_USER থেকে Software\Microsoft\Windows\ShellNoRoam\MUICache পর্যন্ত যেতে হবে
> এবং খুজে বের করুন এই লেখাটি @C:\WINDOWS\system32\SHELL32.dll,-8964 ও এর উপর ডাবল ক্লিক করুন

>এবার Recycle Bin এর পরিবর্তে Dustbin/ Trash / ডিলিট বক্স/ আবর্জনা ইত্যাদি যা ইচ্ছে তা লিখুন এবং Ok করে ক্লোজ করুন
সবশেসে ডেস্কটপে একবার Refresh করুনআর দেখুন মিনি যাদু
ও হ্যা এটা শুধু Windows XP এর জন্য প্রযোজ্য; অন্য OS এ কাজ করবে কি না জানা নাই

►►এখন আপনার বন্ধু বা যে কারো PC এর control থাকবে আপনার হাতে।◄◄

আজকে আমি আপনাদের PC এর control নিয়ে মজার একটি post করবআপনি নিজের বাসায় বসে আপনার বন্ধুর বা যে কারো PC এর control করতে পারবেনমাত্র ছোট্ট একটি software দিয়ে এ কাজটি আপনি করতে পারবেনএই software দিয়ে আপনি যা যা করতে পারবেন:

অন্যের PC এর সব documents দেখতে পারবেন
যেকোন folder এ ঢুকতে পারবেন
অন্যের PC এর সব documents আপনার PC তে নিয়ে আসতে পারবেন
অন্যের PC থেকে Internet ব্যবহার করতে পারবেনআরো অনেক কিছু

তাহলে দেখা যাক কিভাবে তা কাজ করে:

প্রথমে software টি download করে নিনa. Installer download b. portable download

.exe file
টিতে ডাবল click করুননিচের মত দেখা যাবে

Install option
click করে নিচের next button click করুন

team viewer1
এখন আপনার বন্ধু বা যে কারো PC এর control থাকবে আপনার হাতে

এবার personal/ Non commercial use click করে নিচের next button click করুন

team viewer3
এখন আপনার বন্ধু বা যে কারো PC এর control থাকবে আপনার হাতে

এবার I accept the terms of the License Agreement এবং I agree that I will only use TeamViewer for non commercial and private use বক্সে টিক চিহ্ন দিন এবং next button click করুন

team viewer2
এখন আপনার বন্ধু বা যে কারো PC এর control থাকবে আপনার হাতে

এবার choose installation type dial box আসবেসেখান থেকে No (default) অখবা Yes বাছাই করুনঅবশ্য পরবর্তীতে এটি পরিবর্তন করা যাবে

এবার Desktop থেকে ঠডৃম Team Viewer টি open করুন

এখন আপনার বন্ধু বা যে কারো PC এর control থাকবে আপনার হাতে

সেখানে আপনি Id এবং password দেখতে পাবেনআপনার বন্ধু ও একইভাবে Id এবং password দেখতে পাবেন সেটি সংগ্রহ করুনএবং এটি নিদ্র্দিস্ট স্থানে বসান

team viewer4
এখন আপনার বন্ধু বা যে কারো PC এর control থাকবে আপনার হাতে

এভাবেই আপনার বন্ধু বা যে কারো PC এর control নিতে পারবেনএতে অবশ্যই তার সম্মতি লাগবে